অস্ট্রেলিয়া-চীনের সঙ্গে শিক্ষা সহযোগিতা জোরদারে গুরুত্ব
শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনের সঙ্গে আজ তার দপ্তরে অস্ট্রেলিয়া ও চীনের দুটি পৃথক প্রতিনিধিদল সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছে।
আজ সোমবার সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে প্রথমে অস্ট্রেলিয়ার সিটিজেনশিপ, কাস্টমস ও মাল্টিকালচারাল অ্যাফেয়ার্স এবং ইন্টারন্যাশনাল এডুকেশনের অ্যাসিস্ট্যান্ট মিনিস্টার জুলিয়ান হিল এমপি’র নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করে।
এ সময় মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. আবদুল খালেক এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত অস্ট্রেলিয়ার হাই কমিশনার সুসান রাইল উপস্থিত ছিলেন।
সাক্ষাৎকালে দুই দেশের মধ্যে উচ্চশিক্ষা, দক্ষতা বৃদ্ধি ও গবেষণা ক্ষেত্রে পারস্পরিক সহযোগিতার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। অস্ট্রেলীয় প্রতিনিধিদল শিক্ষাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বাংলাদেশ সরকারের গৃহীত বৈপ্লবিক পদক্ষেপের ভূয়সী প্রশংসা করে।
শিক্ষামন্ত্রী বাংলাদেশের শিক্ষার উন্নয়নে অস্ট্রেলিয়ার অব্যাহত সহযোগিতার জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ জানান। তিনি বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের জন্য অস্ট্রেলীয় শিক্ষাবৃত্তির সুযোগ আরও বিস্তৃত করার আহ্বান জানান।
ড. মিলন বলেন, ‘আমাদের বিপুল জনসংখ্যাকে দক্ষ জনসম্পদে রূপান্তরিত করতে আমরা কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা এবং প্রশিক্ষণের (টিভিইটি) ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছি। এ ক্ষেত্রে অস্ট্রেলিয়ার মতো উন্নত দেশের সহযোগিতার ব্যাপক সুযোগ রয়েছে।’
এরপর শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে চীনের বিখ্যাত ফুদান বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস প্রেসিডেন্ট চেন ঝিমিনের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল সৌজন্য সাক্ষাৎ করে।
এ সময় মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. আবদুল খালেক এবং ফুদান বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস ডিন ঝাং পিং উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠকে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে শিক্ষার উন্নয়নে যৌথ উদ্যোগের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
এ সময় শিক্ষামন্ত্রী দুই দেশের মধ্যে অধিক সংখ্যক শিক্ষার্থী ও শিক্ষক বিনিময় কর্মসূচি, অভিজ্ঞতা শেয়ার করার উদ্যোগ এবং বিশেষ করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ক্ষেত্রে পারস্পরিক সহযোগিতা জোরদার করার জন্য চীনা প্রতিনিধিদলের প্রতি আহ্বান জানান।
পৃথক দুটি বৈঠকে শিক্ষাক্ষেত্রে ভবিষ্যতে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর সাথে সম্পর্ক ও সহযোগিতার ক্ষেত্র আরও সম্প্রসারিত হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়।