Favicon

সেনা সদস্যদের সঙ্গে ঈদুল আযহার আনন্দ ভাগাভাগি ও শুভেচ্ছা বিনিময় প্রধানমন্ত্রীর

প্রতিবেদক: ST Report মে ২৮, ২০২৬, ১১:১৮ অপরাহ্ণ বিভাগ: মেট্রোপলিটন
সেনা সদস্যদের সঙ্গে ঈদুল আযহার আনন্দ ভাগাভাগি ও শুভেচ্ছা বিনিময় প্রধানমন্ত্রীর
আজ ঢাকা সেনানিবাসে অফিসার, জেসিও ও সৈনিকদের সঙ্গে ঈদ প্রীতিভোজে অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী। ছবি: প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়
প্রধানমন্ত্রী ঈদে সেনাদের সঙ্গে শুভেচ্ছা ও প্রীতিভোজে অংশ নেন।

সেনা সদস্যদের সঙ্গে পবিত্র ঈদুল আযহার আনন্দ ভাগাভাগি ও শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, আজ (বৃহস্পতিবার) ঢাকা সেনানিবাসে অফিসার, জেসিও ও সৈনিকদের সঙ্গে ঈদ প্রীতিভোজে অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী। 

অনুষ্ঠানস্থলে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কোয়ার্টার মাস্টার জেনারেল লেফটেন্যান্ট জেনারেল মোহাম্মদ শাহীনুল হক।

আরও উপস্থিত ছিলেন প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামসুল ইসলাম, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার লেফটেন্যান্ট জেনারেল মীর মুশফিকুর রহমান, ৪৬ স্বতন্ত্র পদাতিক ব্রিগেডের কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ আশিকুর রহমান এবং ২৫ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের কমান্ডিং অফিসার লে. কর্নেল মো. শফিকুল ইসলাম।

এসময় প্রধানমন্ত্রী উপস্থিত সেনা সদস্যদের উদ্দেশ্যে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দেন। তিনি জানান, বহু বছর পর নিজের পুরোনো ও স্মৃতিবিজড়িত সেনানিবাস এলাকায় এসে অত্যন্ত আনন্দিত ও আবেগতাড়িত। সেনানিবাসের এই পরিবেশ, শৃঙ্খলা, সহযোদ্ধাসুলভ বন্ধন এবং সেনা সদস্যদের আন্তরিকতা তাঁর কাছে বিশেষভাবে স্মরণীয় বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর উন্নত পেশাদার মান, দায়িত্ববোধ এবং দুর্যোগ মোকাবিলাসহ দেশের যেকোনো প্রয়োজনে জনগণের পাশে দাঁড়ানোর ঐতিহ্য তাঁকে গভীরভাবে গর্বিত করে।

তিনি আরও বলেন, দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও জনগণের নিরাপত্তা রক্ষায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সবসময় রাষ্ট্রের আস্থার প্রতীক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছে। জাতীয় সংকট এবং দেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় সেনাবাহিনীর অবদান জাতির কাছে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।

তিনি আশা প্রকাশ করেন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রতিটি সদস্য ভবিষ্যতেও একই নিষ্ঠা, পেশাদারিত্ব ও দেশপ্রেম নিয়ে জাতির সেবায় নিয়োজিত থাকবে।

প্রীতিভোজ শেষে প্রধানমন্ত্রী ইউনিটের সৈনিক লাইন পরিদর্শন করেন। পরিদর্শন শেষে ইউনিট প্রাঙ্গণে একটি গাছের চারা রোপণ করেন এবং পরিদর্শন বইয়ে স্বাক্ষর করেন। 

পরে তিনি অফিসার, জেসিও ও অন্যান্য পদবির সৈনিকদের সঙ্গে ফটোসেশনে অংশ নেন। কর্মসূচির শেষাংশে প্রধানমন্ত্রী সেনা সদস্যদের সঙ্গে জোহরের নামাজ আদায় করেন।

প্রধানমন্ত্রীর এই অংশগ্রহণ সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের মধ্যে গভীর উৎসাহ, অনুপ্রেরণা ও গৌরবের সঞ্চার করেছে। বিশেষ করে ঈদের দিনে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ নেতৃত্বের সরাসরি উপস্থিতি সেনা সদস্যদের মনোবল বৃদ্ধি করেছে এবং সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের পেশাগত অঙ্গীকার, দায়িত্ববোধ ও দেশসেবার প্রেরণাকে আরও শক্তিশালী করবে বলে আশা করা যায়।