Favicon

পানিসম্পদ মন্ত্রীর সঙ্গে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ

প্রতিবেদক: ST Reporter জুন ৩, ২০২৬, ৮:২৪ অপরাহ্ণ বিভাগ: মেট্রোপলিটন
পানিসম্পদ মন্ত্রীর সঙ্গে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ
পানিসম্পদ মন্ত্রী মো. শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি’র সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন। ছবি : পিআইডি
যুক্তরাষ্ট্র রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে পানিসম্পদ মন্ত্রীর সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত

পানিসম্পদ মন্ত্রী মো. শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি’র সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন।

আজ বুধবার পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ে মন্ত্রীর দপ্তরে অনুষ্ঠিত এ সাক্ষাতে দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।

সাক্ষাৎকালে পানিসম্পদ মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ ও সুদৃঢ় সম্পর্ক বিদ্যমান। তিনি শিক্ষা, প্রযুক্তিগত সহযোগিতা, বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণ এবং গবেষণার ক্ষেত্রে দুই দেশের মধ্যে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ও সহযোগিতা বৃদ্ধির আহ্বান জানান।

পাশাপাশি বাংলাদেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নে যুক্তরাষ্ট্র যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে, তা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে আশা প্রকাশ করেন।

মন্ত্রী আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বর্তমান সরকার মাত্র তিন মাস আগে দায়িত্ব গ্রহণ করেছে।

নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিম ও উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশিত পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্প ইতোমধ্যে অনুমোদন করা হয়েছে।

এছাড়া প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও সমীক্ষা সম্পন্ন হওয়ার পর তিস্তা মহাপরিকল্পনাও দ্রুত অনুমোদন পাবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

জবাবে রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন বলেন, নির্বাচিত সরকারের দায়িত্ব গ্রহণ বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের ধারাকে আরও গতিশীল করবে।

গণতন্ত্রকে সুসংহত করা, মানবাধিকার সুরক্ষা এবং আর্থসামাজিক উন্নয়নের ক্ষেত্রে অতীতে যুক্তরাষ্ট্র যেভাবে সহযোগিতা করেছে, ভবিষ্যতেও সেই সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলে তিনি প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

সাক্ষাৎকালে পানিসম্পদ সচিব ড. এ. কে. এম শাহাবুদ্দিন, যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের অর্থনৈতিক শাখা প্রধান মাইক পেনেল এবং রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক কর্মকর্তা চার্লস বেসনার্ড উপস্থিত ছিলেন।

এ সাক্ষাৎকে বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও জোরদার করার ক্ষেত্রে একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে অভিহিত করা হয়।