Favicon

থাইল্যান্ডের শ্রমবাজারে বাংলাদেশি কর্মীদের সুযোগ বাড়ানোর উদ্যোগ

প্রতিবেদক: নিজস্ব প্রতিবেদক আগস্ট ১৪, ২০২৬, ৮:৫৯ অপরাহ্ণ বিভাগ: মেট্রোপলিটন
থাইল্যান্ডের শ্রমবাজারে বাংলাদেশি কর্মীদের সুযোগ বাড়ানোর উদ্যোগ
পেশাগত ও নিরাপদ অভিবাসন নিশ্চিতকরণে থাইল্যান্ডের সিনেট স্ট্যান্ডিং কমিটি অন লেবার প্রতিনিধিদলের সাথে বোয়েসেলের সভা অনুষ্ঠিত
থাইল্যান্ডের শ্রমবাজারে বাংলাদেশি কর্মীদের সুযোগ বাড়ানোর উদ্যোগ

থাইল্যান্ডের শ্রমবাজারে বাংলাদেশি কর্মীদের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি ও সম্প্রসারণে দুই দেশের মধ্যে সহযোগিতা জোরদারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর অংশ হিসেবে থাইল্যান্ডের সিনেট স্ট্যান্ডিং কমিটি অন লেবার-এর আট সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল ১২ আগস্ট ২০২৬ বাংলাদেশ ওভারসিজ এমপ্লয়মেন্ট অ্যান্ড সার্ভিসেস লিমিটেড (বোয়েসেল) পরিদর্শন করে।

এ উপলক্ষে প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বোয়েসেলের একটি দ্বিপাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। থাইল্যান্ডের সিনেট স্ট্যান্ডিং কমিটি অন লেবার-এর চেয়ারম্যান Nirutti Suttinon প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন। অন্যদিকে, বোয়েসেলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ রাশেদুল হক বাংলাদেশি প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন।

বৈঠকে বোয়েসেলের মাধ্যমে বিভিন্ন দেশে স্বচ্ছ, সুশৃঙ্খল, নৈতিক, নিরাপদ ও স্বল্প ব্যয়ে দক্ষ কর্মী পাঠানোর বিদ্যমান মডেল সম্পর্কে থাইল্যান্ডের প্রতিনিধিদলকে অবহিত করা হয়। বাংলাদেশি কর্মীদের বিদেশে নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ কর্মসংস্থান নিশ্চিত করতে এ ধরনের উদ্যোগের প্রশংসা করে থাই সিনেট প্রতিনিধিদল।

আলোচনায় থাইল্যান্ডের নির্মাণ, কৃষি, পর্যটন ও আতিথেয়তা খাতে বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির আহ্বান জানায় বোয়েসেল। বোয়েসেলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক বলেন, থাইল্যান্ডের শ্রমবাজারের চাহিদা অনুযায়ী কর্মী পাঠানোর আগে তাদের প্রয়োজনীয় কারিগরি প্রশিক্ষণ, ভাষা শিক্ষা ও ওরিয়েন্টেশন দেওয়া হবে।

তিনি বলেন, এ ধরনের প্রস্তুতি বাংলাদেশি কর্মীদের দক্ষতা বৃদ্ধি, থাইল্যান্ডের কর্মপরিবেশের সঙ্গে দ্রুত অভিযোজন এবং নিরাপদ ও টেকসই কর্মসংস্থান নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

বৈঠকে উভয় পক্ষ বাংলাদেশ ও থাইল্যান্ডের মধ্যে শ্রমবাজারভিত্তিক সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণ এবং থাইল্যান্ডে বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য অধিকতর কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরিতে আগ্রহ প্রকাশ করে।

শ্রমবাজারে সহযোগিতা বাড়লে জোরদার হবে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক।

বৈঠকের শেষে স্বচ্ছ, সুশৃঙ্খল, নিরাপদ ও নৈতিক অভিবাসন নিশ্চিত করার মাধ্যমে দুই দেশের বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ও দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা আরও জোরদারে উভয় পক্ষ দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করে।