Favicon

চট্টগ্রাম-রানং সরাসরি জাহাজ চলাচলে আগ্রহী বাংলাদেশ-থাইল্যান্ড

প্রতিবেদক: নিজস্ব প্রতিবেদক অক্টোবর ১৪, ২০২৬, ৭:৪৮ অপরাহ্ণ বিভাগ: মেট্রোপলিটন
চট্টগ্রাম-রানং সরাসরি জাহাজ চলাচলে আগ্রহী বাংলাদেশ-থাইল্যান্ড
ছবি : সংগৃহীত
চট্টগ্রাম-রানং নৌপথ চালু হলে কমতে পারে পণ্য পরিবহনের ব্যয়

বাংলাদেশের চট্টগ্রাম বন্দর ও থাইল্যান্ডের রানং বন্দরের মধ্যে সরাসরি সামুদ্রিক যোগাযোগ চালুর সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করেছে দুই দেশ। এ ধরনের যোগাযোগ চালু হলে পণ্য পরিবহনে সময় ও ব্যয় কমার পাশাপাশি দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য বাড়বে বলে আশা করছে উভয় পক্ষ।

আজ বুধবার সকালে সচিবালয়ে নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলমের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত থাইল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত থিতিপর্ন চিরাসাওয়াদি। এ সময় দুই দেশের বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং সমুদ্রবন্দর ও নৌপরিবহন খাতে সহযোগিতা সম্প্রসারণের বিষয়েও আলোচনা হয়।

বৈঠকে থাইল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত বলেন, চট্টগ্রাম ও রানং বন্দরের মধ্যে সরাসরি যোগাযোগ প্রতিষ্ঠিত হলে বঙ্গোপসাগরকেন্দ্রিক আঞ্চলিক বাণিজ্য নেটওয়ার্কে নতুন সম্ভাবনা তৈরি হবে। এতে দুই দেশের মধ্যে পণ্য পরিবহনের সময় ও ব্যয় কমবে এবং ব্যবসায়ী ও বিনিয়োগকারীদের জন্য নতুন সুযোগ সৃষ্টি হবে।

রাষ্ট্রদূত আরও বলেন, এ উদ্যোগ বাংলাদেশ ও থাইল্যান্ডের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য সম্প্রসারণের পাশাপাশি বঙ্গোপসাগরকেন্দ্রিক আঞ্চলিক যোগাযোগ ও বাণিজ্যিক সংযোগ বাড়াতে ভূমিকা রাখবে।

নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম সরাসরি সামুদ্রিক যোগাযোগ প্রতিষ্ঠার উদ্যোগকে স্বাগত জানান। তিনি বলেন, দেশের অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রা ত্বরান্বিত করতে সমুদ্রবন্দর ও নৌপরিবহন খাতের আধুনিকায়ন এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক যোগাযোগ সম্প্রসারণ গুরুত্বপূর্ণ।

মন্ত্রী চট্টগ্রাম বন্দরের সক্ষমতা ও কার্যকারিতা বাড়িয়ে পণ্য পরিবহনে সময় ও ব্যয় কমানোর ওপর গুরুত্ব দেন। এতে দেশের আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য আরও গতিশীল হবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

শেখ রবিউল আলম বলেন, বন্ধুপ্রতিম দেশগুলোর সঙ্গে সহযোগিতা, অভিজ্ঞতা বিনিময় ও কার্যকর অংশীদারত্বের মাধ্যমে নৌপরিবহন খাতের উন্নয়নে কাজ করতে আগ্রহী বাংলাদেশ। চট্টগ্রাম ও রানং বন্দরের মধ্যে সরাসরি সামুদ্রিক যোগাযোগ প্রতিষ্ঠার সম্ভাবনা কাজে লাগাতে প্রয়োজনীয় আলোচনা ও উদ্যোগ গ্রহণে তিনি সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

বৈঠকে দুই দেশের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও জোরদার করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন উভয় পক্ষ। বন্দর উন্নয়ন, সামুদ্রিক যোগাযোগ, বাণিজ্য সম্প্রসারণ ও পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট অন্যান্য ক্ষেত্রেও সহযোগিতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

এ সময় নৌপরিবহনসচিব জাকারিয়াসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।