Favicon

অভ্যন্তরীণ নদীপথ উন্নয়নে সরকার বদ্ধপরিকর : পানিসম্পদ মন্ত্রী

প্রতিবেদক: ST Reporter মে ১২, ২০২৬, ৪:১০ অপরাহ্ণ বিভাগ: মেট্রোপলিটন
অভ্যন্তরীণ নদীপথ উন্নয়নে সরকার বদ্ধপরিকর : পানিসম্পদ মন্ত্রী
পানিসম্পদ মন্ত্রী মো. শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি। ফাইল ছবি
মো. শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি নদীপথ উন্নয়নে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্বের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন।

সাশ্রয়ী ও পরিবেশবান্ধব যোগাযোগব্যবস্থা গড়ে তুলতে দেশের অভ্যন্তরীণ নদীপথ উন্নয়নে সরকার বদ্ধপরিকর বলে জানিয়েছেন পানিসম্পদ মন্ত্রী মো. শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি। 

তিনি বলেছেন, দেশব্যাপী খাল খনন ও নদীপথ উন্নয়ন কার্যক্রমে বেসরকারি খাতকে সম্পৃক্ত করে ব্যবসা-বাণিজ্য সম্প্রসারণ এবং অর্থনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন আনা সম্ভব।

আজ সচিবালয়ে পানিসম্পদ মন্ত্রীর সঙ্গে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (ডিসিসিআই) সভাপতি তাসকীন আহমেদ সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এসব কথা বলেন।

সাক্ষাৎকালে ডিসিসিআই সভাপতি তাসকীন আহমেদ বলেন, নদীমাতৃক বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ নৌপথ ঐতিহাসিকভাবে শিল্পের কাঁচামাল ও পণ্য পরিবহনের সবচেয়ে সাশ্রয়ী মাধ্যম হলেও নাব্যতা সংকট ও অবৈধ দখলের কারণে এর পূর্ণ সম্ভাবনা কাজে লাগানো যাচ্ছে না।

তিনি নদীতীর পুনরুদ্ধার, পরিকল্পিত ড্রেজিং এবং প্রয়োজনীয় অবকাঠামো উন্নয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, এসব উদ্যোগ বাস্তবায়ন হলে ব্যবসা পরিচালনার ব্যয় কমবে এবং কার্যকর বাণিজ্যিক লজিস্টিক সুবিধা নিশ্চিত হবে।

ডিসিসিআই সভাপতি তাসকীন আহমেদ বলেন, সরকারের আগামী পাঁচ বছরে ২০ হাজার কিলোমিটার জলাশয় খননের লক্ষ্যমাত্রা বাস্তবায়ন হলে নৌ-চলাচল বৃদ্ধি পাবে, একই সঙ্গে সেচ, কৃষি উৎপাদনশীলতা ও সামগ্রিক অর্থনীতির গতি বাড়বে।

রাজধানীর চারপাশের নৌপথ ব্যবহারের বিষয়ে তিনি বলেন, বুড়িগঙ্গা, তুরাগ, বালু, শীতলক্ষ্যা ও ধলেশ্বরী নদীকে সংযুক্ত করে ঢাকাকে ঘিরে প্রায় ১১২ কিলোমিটার দীর্ঘ বৃত্তাকার নৌপথ কার্যকরভাবে পরিচালনা করা গেলে তা রাজধানীর যানজট নিরসনে বিকল্প পরিবহনব্যবস্থা হিসেবে ভূমিকা রাখতে পারে। এ লক্ষ্যে খাল খনন ও লজিস্টিক সহায়তায় পিপিপি মডেলে বেসরকারি খাতকে সম্পৃক্ত করার প্রস্তাবও দেন তিনি।

পানিসম্পদ মন্ত্রী বলেন, সরকার ইতোমধ্যে অভ্যন্তরীণ নদীপথ উন্নয়নে বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে। পরিবেশবান্ধব ও টেকসই যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্ব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

সাক্ষাৎকালে ডিসিসিআইয়ের সিনিয়র সহ-সভাপতি রাজিব এইচ চৌধুরী, সহ-সভাপতি মো. সেলিম সোলায়মান এবং ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ড. এ কে এম আসাদুজ্জামান পাটোয়ারী উপস্থিত ছিলেন।