সীমান্ত ইস্যুতে সরকারের ভূমিকা প্রশ্নবিদ্ধ, বিদ্যুৎ লুটপাটের নিন্দা।
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) এর তেজগাঁও বিভাগের অভিযানে বিভিন্ন অপরাধে জড়িত মোট ৫২ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
গ্রেফতারকৃতরা হলো- ১। সোনিয়া খাতুন (২৭) ২। আইনের সহিত সংঘাতে জড়িত শিশু ৩। মোঃ সাগর মিয়া ওরফে সুমন (২৫) ৪। মোছাঃ কল্পনা আক্তার (২৫) ৫। পারভীন বেগম (৪১) ৬। সৈয়দ ইমাম হোসেন সামি (২১) ৭। মোঃ আমিরুল ইসলাম (২৮) ৮। মোঃ কামরুল হাসান রনি (৪৭) ৯। পুন্নি আক্তার (২১) ১০। মোঃ রোহন আলী (২০) ১১। মোঃ জাফরান (২০) ১২। মোঃ যোবায়ের রহমান (২১) ১৩। মোঃ সিয়াম আহম্মেদ (১৮) ১৪। মোঃ ইয়াসিন সিকদার (২০) ১৫। মোঃ মাহমুদুল হাসান (২৬) ১৬। জুম্মন আলী ওরফে সুমন ওরফে সোহেল (৫১) ১৭। মোঃ বাল্লি ১৮। ওয়াহিদ মুরাদ (৩৭) ১৯। মোঃ জাহিদ হাসান মুন্না (১৯) ২০। মোঃ জালাল (২০) ২১। মোঃ আবিদ হোস…
[3:24 AM, 6/7/2026] Mazharul Islam Mitchel Teletalk: ভারতের সাথে সীমান্ত সমস্যা নিয়ে সরকারের উদ্যোগে সংশয় প্রকাশ
বিদ্যুতখাতে সরকারী লুটপাটের দায় জনগণের ওপরে চাপানো যাবে না
-অধ্যক্ষ মাওলানা ইউনুস আহমদ
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব অধ্যক্ষ হাফেজ মাওলানা ইউনুস আহমদ বলেছেন, বাংলাদেশ সীমান্তে ভারতীয়দের কার্যক্রম উদ্বেগজনক। তারা বহুমানুষকে সীমান্তে জড়ো করছে, বহুজনকে পুশইন করার চেষ্টা করছে। আমাদের সীমান্তরক্ষি বাহিনী ও সীমান্তবর্তী মানুষ পুশইন রোধ করার চেষ্টা করছে। কিন্তু সীমান্তে এই প্রচেষ্টা স্থায়ী কোন সমাধান আনবে না। এরজন্য দরকার সরকারের নীতিগত পদক্ষেপ যা ভারতীয় কর্তৃপক্ষকে তাদের নাগরিকদের বাংলাদেশি আখ্যা দিয়ে বাংলাদেশে পাঠানোর অপচেষ্টা থেকে বিরত থাকতে বাধ্য করবে। এখন সীমান্তে যে তৎপরতা দেখা যাচ্ছে তা বিজেপি সরকারের একটি সাম্প্রদায়িক নীতির প্রতিফল। বিজেপি সরকার ভারতে এসআইআর ও সিএএ-র মতো প্রকল্প হাতে নিয়ে ভারতের বহু মানুষের নাগরিকত্ব হরণ করেছে। তাদেরকে পরদেশি বিশেষ করে বাংলাদেশি বলে আখ্যা দিয়েছে। এখন তাদেরকে বাংলাদেশে পুশইন করার অপচেষ্টা করছে। ভারত যখন এসআইআর ও সিএএ-র মতো প্রকল্প হাতে নেয় তখন বাংলাদেশের তৎকালীন আওয়ামী সরকার ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয় বলে এড়িয়ে গেছে। আজকে তার কাফফারা আমাদের দিতে হচ্ছে। বর্তমান সরকারও বিষয়টিকে বিচ্ছিন্ন সীমান্ত সমস্যা হিসেবে দেখছে। অথচ বিষয়টি আমাদের জন্য রোহিঙ্গা সংকটের মতো আরেকটি ভয়াবহ সংকটের দিকে ঠেলে দিতে পারে। তাই সরকারকে বলবো, বিষয়টি নিয়ে দ্রুত উদ্যোগ নিন। আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে আলোচনা শুরু করুন।
আজ ৬ জুন শনিবার ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আয়োজিত ঈদ পূনর্মিলনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এই মন্তব্য করেন।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ঢাকা মহানগর দক্ষিণেল সভাপতি ও দলের সহকারী মহাসচিব মাওলানা আহমদ আব্দুল কাউয়ুমের সভাপতিত্বে আইএবি মিলনায়তনে আয়োজিত ঈদ পুনর্মিলনী ও যৌথ সভায় অধ্যক্ষ ইউনুস আহমদ বিদ্যুতের দামবৃদ্ধি প্রসঙ্গে বলেন, বিদ্যুতখাতে নীতি দুর্বলতার দায় জনগনকে বহন করতে হচ্ছে। বিগত ফ্যাসিস্ট আমলে ক্যাপাসিটি চার্জের নামে রাষ্ট্রের বিপুল অর্থ লুটপাট করা হয়েছে। পিডিবির তথ্যমতে, ২০০৯-১০ থেকে ২০২৩-২৪ অর্থবছর পর্যন্ত ১৫ বছরে বেসরকারি বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর জন্য ক্যাপাসিটি চার্জ দিতে হয়েছে ১ লাখ ৩৩ হাজার ৩৭৭ কোটি টাকা। বিদ্যুৎ উৎপাদন কোম্পানিকে পরিশোধ করা বিলের সবচেয়ে প্রধান অংশ এখন ক্যাপাসিটি চার্জ। বিদ্যুতের উৎপাদন ব্যয়ের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ ক্যাপাসিটি চার্জের কারণে বাড়ছে। ক্রমবর্ধমান এই ব্যয়ের দায়ভার সরকার জনগণের ওপরে চাপাতে এরই মধ্যে পাইকারি ও খুচরা পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম সমন্বয় করেছে। আমরা এর তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানাচ্ছি। আমরা সরকারের প্রতি জোড়ালো দাবী জানাচ্ছি যে, ফ্যাসিস্ট আমলে বিদ্যুত সংক্রান্ত সকল চুক্তিকে অবিলম্বে বাতিল করতে হবে। আওয়ামী ফ্যাসিস্টের সুবিধাভোগী কোম্পানীগুলোকে শাস্তির আওতায় আনতে হবে। কারণ এটা কোন ব্যবসা ছিলো না, এটা ছিলো লুটপাট। এর দায়ভার জনগনের ওপরে চাপানো যাবে না।
নগর জয়েন্ট সেক্রেটারি আলহাজ্ব আবদুর রাজ্জাক এর সঞ্চালনায় আরও উপস্থিত ছিলেন নগর সহ-সভাপতি আলহাজ্ব আলতাফ হোসেন, আলহাজ্ব আনোয়ার হোসেন, আলহাজ্ব এম এইচ মোস্তফা, সাংগঠনিক সম্পাদক কে এম শরীয়াতুল্লাহ, প্রশিক্ষণ সম্পাদক মাওলানা নজরুল ইসলাম,প্রচার ও দাওয়াহ সম্পাদক প্রভাষক শফিকুল ইসলাম, অর্থ সম্পাদক মাওলানা নজরুল ইসলাম খোকন , দপ্তর সম্পাদক ফজলুল হক মৃধা, গোলামুর রহমান আজম, মাওলানা কামাল হোসেন, মাওলানা ইসমাইল হোসেন, মুফতি আবদুল আহাদ,মাওলানা আবদুর রহমান, আল-আমীন আল ইহসান, শেখ আবু তাহের, থানা শাখার নেতৃবৃন্দ প্রমুখ।