Favicon

বাংলাদেশের বাজারে শ্রীলঙ্কান নারিকেল তেল ব্র্যান্ড 'সিলন ট্রপিক্স'

প্রতিবেদক: নিজস্ব প্রতিবেদক সেপ্টেম্বর ৪, ২০২৬, ১২:৪১ পূর্বাহ্ণ বিভাগ: মেট্রোপলিটন
বাংলাদেশের বাজারে শ্রীলঙ্কান নারিকেল তেল ব্র্যান্ড 'সিলন ট্রপিক্স'
এগ্রোকাগ্রি কমোডিটিজের মালিক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) আবদুল হামিদ উদ্বোধনের পর ফটোগ্রাফির জন্য অংশ নেন। ছবি: এসটি
এই উদ্বোধনের মাধ্যমে বাংলাদেশের দ্রুত বর্ধনশীল পার্সোনাল কেয়ার খাতে সিলন ট্রপিক্সের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হলো।
শ্রীলঙ্কার জনপ্রিয় নারিকেল তেল ব্র্যান্ড ‘সিলন ট্রপিক্স’ (Ceylon Tropics) বাংলাদেশের বাজারে প্রবেশ করেছে। বৃহস্পতিবার ঢাকায় অনুষ্ঠিত তিন দিনব্যাপী প্রসাধনী, স্কিনকেয়ার ও পার্সোনাল কেয়ার বিষয়ক এক আন্তর্জাতিক প্রদর্শনীতে পণ্যগুলোর আনুষ্ঠানিক শুভ সূচনা করা হয়।

সিলন ট্রপিক্সের বাংলাদেশে একমাত্র পরিবেশক এগ্রোকাগ্রি কমোডিটিজ (AgroKagri Commodities)। কুড়িলের আন্তর্জাতিক কনভেনশন সিটি বসুন্ধরায় (আইসিসিবি) আয়োজিত এই প্রদর্শনীতে প্রতিষ্ঠানটি পণ্যগুলো উন্মোচন করে।

চট্টগ্রামভিত্তিক প্রতিষ্ঠান এগ্রোকাগ্রি তিন দিনব্যাপী এই প্রদর্শনীতে অংশগ্রহণ করছে, যেখানে দেশি-বিদেশি বিভিন্ন প্রসাধনী, স্কিনকেয়ার ও পার্সোনাল কেয়ার ব্র্যান্ড সমবেত হয়েছে।

এগ্রোকাগ্রি কমোডিটিজের মালিক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) আবদুল হামিদ দ্য শাটল টাইমস-কে জানান, পণ্যগুলো বাজারজাত করার পূর্বে বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশনের (বিএসটিআই) অনুমোদনসহ সমস্ত প্রয়োজনীয় সরকারি আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে।

তিনি বলেন, "আমরা বিএসটিআই অনুমোদনসহ সব ধরণের প্রয়োজনীয় সরকারি প্রক্রিয়া সফলভাবে সম্পন্ন করেছি।"

হামিদ আরও জানান, বাংলাদেশের বাজারের কথা বিবেচনা করে প্রাথমিক অবস্থায় সিলন ট্রপিক্স পণ্যের একটি কনটেইনার আমদানি করা হয়েছে।

তিনি বলেন, এগ্রোকাগ্রির মূল লক্ষ্য সারা দেশে এই পণ্যগুলো পৌঁছে দেওয়া। তবে শুরুর দিকে ঢাকা, চট্টগ্রাম এবং অন্যান্য বিভাগীয় শহরগুলোর ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হচ্ছে। পণ্যগুলো খুচরা দোকান বা ফিজিক্যাল আউটলেটের পাশাপাশি অনলাইন প্ল্যাটফর্মেও কেনাকাটার জন্য পাওয়া যাবে।

হামিদের মতে, সিলন ট্রপিক্স বাংলাদেশে পরিচালিত একটি বিশেষায়িত ট্রেডিং ও ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি, যা বিভিন্ন ইন্ডাস্ট্রির বিশেষায়িত কেমিক্যাল এবং কাঁচামাল সরবরাহের ওপর গুরুত্ব প্রদান করে।

প্রতিষ্ঠানটির কাজের পরিধি খাদ্য ও পুষ্টি, ওষুধ, প্লাস্টিক ও রাবার, প্রসাধনী ও পার্সোনাল কেয়ার, টেক্সটাইল এবং পেইন্টস ও কোটিংসসহ নানা সম্ভাবনাময় খাতে বিস্তৃত।

তিনি জানান, কেমিক্যাল সোর্সিং, রেগুলেটরি কমপ্লায়েন্স এবং বাজার কৌশল নিয়ে কাজ করার সুদীর্ঘ অভিজ্ঞতা রয়েছে প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পর্ষদের। পণ্যের গুণগত মান, স্বচ্ছতা এবং নির্ভরযোগ্য বন্টন ব্যবস্থার ওপর ভিত্তি করে দীর্ঘমেয়াদি ব্যবসায়িক অংশীদারিত্ব গড়ে তোলাই তাদের প্রধান লক্ষ্য।