Favicon

ঢাকায় স্যার সৈয়দ ডে উদ্‌যাপন, বৃত্তি পেল সদস্যদের সন্তানেরা

প্রতিবেদক: নিজস্ব প্রতিবেদক অক্টোবর ১৮, ২০২৬, ৭:২৬ অপরাহ্ণ বিভাগ: মেট্রোপলিটন
ঢাকায় স্যার সৈয়দ ডে উদ্‌যাপন, বৃত্তি পেল সদস্যদের সন্তানেরা
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। ছবি: এসটি
ঢাকায় স্যার সৈয়দ ডে উদ্‌যাপন, বৃত্তি পেল সদস্যদের সন্তানেরা

ঢাকা: ভারতের আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়ের (এএমইউ) প্রতিষ্ঠাতা স্যার সৈয়দ আহমদ খানের শিক্ষা ও সমাজ সংস্কারের দর্শন স্মরণে ঢাকায় ‘স্যার সৈয়দ ডে ২০২৬’ উদ্‌যাপন করেছে আলিগড় ওল্ড বয়েজ অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (এওবিএ)। এ উপলক্ষে সংগঠনটির সদস্য ও কর্মচারীদের সন্তানদের মধ্যে বৃত্তি দেওয়া হয়।

শনিবার (১৭ অক্টোবর) রাজধানীর র‍্যাডিসন ব্লু ঢাকা ওয়াটার গার্ডেনে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ। বিশেষ অতিথি ছিলেন ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইউনিভার্সিটি, বাংলাদেশের উপাচার্য অধ্যাপক এম তামিম।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন এওবিএর সভাপতি ওসামা তাসীর। তিনি অতিথি ও সংগঠনের সদস্যদের স্বাগত জানান।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ইকবাল হাসান মাহমুদ স্যার সৈয়দ আহমদ খানের জীবনদর্শন, শিক্ষা বিস্তারে অবদান এবং মানবকল্যাণে তাঁর ভূমিকার কথা স্মরণ করেন। আধুনিক শিক্ষার প্রসার ও সমাজ সংস্কারে স্যার সৈয়দের আদর্শের গুরুত্বও উঠে আসে অনুষ্ঠানে।

মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী মো. ইফতেখার সুমন। তিনি স্যার সৈয়দ আহমদ খানের আধুনিক শিক্ষার প্রসারে দূরদর্শী উদ্যোগ, বুদ্ধিবৃত্তিক জাগরণ এবং সমাজ সংস্কারে ঐতিহাসিক অবদানের কথা তুলে ধরেন। শিক্ষা ও জ্ঞানচর্চার মাধ্যমে সমাজের অগ্রগতিতে তাঁর আদর্শ এখনো প্রাসঙ্গিক বলে উল্লেখ করেন তিনি।

অনুষ্ঠানের অন্যতম আয়োজন ছিল এওবিএর সদস্য ও কর্মচারীদের সন্তানদের মধ্যে বৃত্তি বিতরণ। এর মাধ্যমে শিক্ষার প্রসার, সমান সুযোগ সৃষ্টি এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের বিকাশে সংগঠনটির অঙ্গীকার তুলে ধরা হয়।

পবিত্র কোরআন তিলাওয়াত ও জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান শুরু হয়। পরে প্রয়াত সদস্যদের স্মরণে শ্রদ্ধা নিবেদন এবং অতিথিদের বক্তব্য অনুষ্ঠিত হয়। নৈশভোজ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে আয়োজন শেষ হয়।

স্যার সৈয়দ আহমদ খানের ২০৯তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তাঁর শিক্ষা, মানবিকতা, জ্ঞানচর্চা ও সমাজ সংস্কারের আদর্শ ছড়িয়ে দেওয়ার প্রত্যয় জানায় এওবিএ। পাশাপাশি বাংলাদেশে আলিগড়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের মধ্যে ঐক্য ও সৌহার্দ্য জোরদার করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।