প্রশান্ত কুমার বর্মনের বর্ণাঢ্য কর্মযাত্রার তিন যুগ পূর্তি
ঢাকা: কর্মজীবনের বর্ণাঢ্য পথচলায় তিন যুগ পূর্ণ করেছেন প্রশান্ত কুমার বর্মন। ১৯৮৯ সালে শুরু হওয়া তাঁর কর্মজীবন শুক্রবার ৩৮তম বছরে পদার্পণ করেছে। দীর্ঘ এই সময়ে পেশাগত দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি অসংখ্য মানুষের সঙ্গে গড়ে উঠেছে তাঁর বন্ধুত্ব, সহযোগিতা ও পারস্পরিক আস্থার সম্পর্ক।
কর্মজীবনের এই বিশেষ মাইলফলকে দাঁড়িয়ে অতীতের দিনগুলোকে স্মরণ করেছেন প্রশান্ত কুমার বর্মন। তাঁর কাছে ৩৮ বছরের এই যাত্রা কেবল সময়ের হিসাব নয়; এটি অসংখ্য স্মৃতি, অভিজ্ঞতা, দায়িত্ব এবং মানুষের ভালোবাসায় সমৃদ্ধ একটি দীর্ঘ অধ্যায়।
এই দীর্ঘ কর্মযাত্রার গুরুত্বপূর্ণ অংশজুড়ে রয়েছে Soviet/Russian Alumni Association-এর সদস্য ও বন্ধুদের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক। সংগঠনের বিভিন্ন কার্যক্রমে দীর্ঘদিন একসঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতা এবং তাঁদের আন্তরিক সহযোগিতা ও বন্ধুত্ব তাঁর কর্মজীবনকে সমৃদ্ধ করেছে বলে উল্লেখ করেছেন তিনি।
তাঁর বর্ণাঢ্য কর্মজীবনের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় বাংলাদেশের গণমাধ্যম ও সাংবাদিকদের সঙ্গে দীর্ঘদিনের সম্পর্ক। দেশের মিডিয়া প্রতিনিধি ও সাংবাদিক বন্ধুদের প্রতি বিশেষ কৃতজ্ঞতা জানিয়ে প্রশান্ত কুমার বর্মন বলেন, বছরের পর বছর তাঁরা তাঁর পেশাগত দায়িত্ব ও বিভিন্ন সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডকে মূল্যবান সহযোগিতা এবং প্রচারের মাধ্যমে সমর্থন করেছেন।
দীর্ঘ কর্মজীবনের সহকর্মীদেরও বিশেষভাবে স্মরণ করেছেন তিনি। তাঁদের কেউ দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে তাঁর পাশে ছিলেন, আবার কেউ কয়েক বছর কিংবা অল্প সময়ের জন্য তাঁর কর্মযাত্রার অংশ হয়েছেন। তবে তাঁর কাছে সম্পর্কের গুরুত্ব নির্ধারিত হয় সময়ের দৈর্ঘ্যে নয়, বরং আন্তরিকতায়।
প্রশান্ত কুমার বর্মনের এই তিন যুগের পথচলায় তাই পেশাগত অভিজ্ঞতার পাশাপাশি বিশেষভাবে জায়গা করে নিয়েছে মানুষের সঙ্গে তৈরি হওয়া সম্পর্কগুলো। সহকর্মী, সাংবাদিক, বন্ধু ও বিভিন্ন পর্যায়ের সহযোগীদের অবদানকে তিনি তাঁর কর্মজীবনের অন্যতম বড় প্রাপ্তি হিসেবে দেখছেন।
৩৮ বছরের কর্মজীবনকে ফিরে দেখে প্রশান্ত কুমার বর্মনের উপলব্ধি—এটি শুধু একটি দীর্ঘ কর্মজীবনের গল্প নয়; বরং অসংখ্য মানুষের ভালোবাসা, সহযোগিতা ও আস্থায় নির্মিত একটি যাত্রা।
কর্মজীবনের ৩৮তম বছরে পদার্পণ উপলক্ষে তাঁর সঙ্গে বিভিন্ন সময়ে যুক্ত থাকা সবাইকে আন্তরিক শ্রদ্ধা, কৃতজ্ঞতা ও ভালোবাসা জানিয়েছেন প্রশান্ত কুমার বর্মন।
তিন যুগের কর্মঅভিজ্ঞতা পেছনে রেখে আগামীর দিনগুলোর প্রতিও আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন তিনি। তাঁর ভাষায়, ৩৮ বছরের এই পথচলার জন্য তিনি কৃতজ্ঞ—আর সামনে এগিয়ে যাওয়ার জন্য আশাবাদী।