Favicon

তরুণদের পছন্দে শীর্ষে অনার, দ্রুত বদলাচ্ছে স্মার্টফোন বাজার

প্রতিবেদক: মাজহারুল ইসলাম মিচেল মে ২৪, ২০২৬, ৩:০৩ পূর্বাহ্ণ বিভাগ: এক্সক্লুসিভ
তরুণদের পছন্দে শীর্ষে অনার, দ্রুত বদলাচ্ছে স্মার্টফোন বাজার
Photo: Collected
মেড ইন বাংলাদেশ ফোনে বাজিমাত করছে অনার

অনারের মেড ইন বাংলাদেশের অধীনে তৈরি করা সকল ফোন বিক্রির মাধ্যমে স্মার্টফোন বাজারে বেশ আলোচনায় এসেছে।

গত এক বছরে এই ব্র্যান্ড এখন মধ্য ও প্রিমিয়াম স্মার্টফোন সেগমেন্টে শক্ত অবস্থান তৈরি করছে।

বাজার বিশ্লেষকরা বলছেন, আক্রমণাত্মক মূল্যনীতি, উন্নত প্রযুক্তি এবং তরুণ ব্যবহারকারীদের লক্ষ্য করে তৈরি মার্কেটিং কৌশল এই তিনটি মিলেই অনারের দ্রুত উত্থান সম্ভব হয়েছে।

একটি অনুসন্ধানী বিশ্লেষণে দেখা গেছে, শুধু বিক্রি নয়; গ্রাহক সেবা, রিসেলার নেটওয়ার্ক এবং তরুণদের মনস্তত্ত্ব, সবকিছুই অনারের বাজার সম্প্রসারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

 

এক বছরে বাজারে অনারের অবস্থান পরির্বতন

অনারের মহাব্যবস্থাপক আব্দুল্লাহ্ আল মামুন দি শাটল টাইমস্কে জানায়, গত এক বছরে বাংলাদেশে অনার স্মার্টফোনের বিক্রি উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে, বিশেষ করে মধ্যম দামের স্মার্টফোন সেগমেন্টে। গত এক বছরেই কমপক্ষে ৩০ শতাংশ দেশের আভ্যন্তরে আর বিশ্ব বাজারে ২৮ শতাংশ বিক্রি বৃদ্ধি পয়েছে বলে তিনি জানান।

তিনি দাবি করেন, অনার ফোন কিনার পর মান অনেক ভালো থাকার কারণে ক্রেতাদের কোন সমস্যায় পড়তে হয় না যারফলে বিক্রয় পরবর্তি সেবা নেওয়ার হার খুবই কম। তারপরও আমরা ঢাকাতেই তিনটি এক্সক্লুসিভ কাস্টোমার কেয়ার রয়েছে। আর বগুড়া, বরিশাল ও চট্টগ্রামে রয়েছে নিজস্ব কেয়ার সেন্টার। এছাড়াও স¥ার্ট টেকনোলজির সকল সেবা কেন্দ্রেই অনারের যেকোন সমস্যার সমাধান দেয় হয় বলে তিনি জানান। সে হিসেবে প্রায় ২৬ টি সেবা প্রদানের পয়েন্ট রয়েছে তাদের।

অনারের জ্যেষ্ঠ বিপণন ব্যবস্থাপক ফারুক রহমান জনান, গত এক বছরেই মেড ইন বাংলাদেশ স্লোগানে তৈরি করা এক্স৫সি+ সর্বমোট এক লাখ, এক্স৬সি ৬০ হাজার, এক্স৭বি ৪০ হাজার ও এক্স৬ডি ৫ হাজার ইউনিট বিক্রি হয়। অর্থাৎ প্রায় সকল ফোনই বিক্রি হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।

মোবাইল ফোন ডিসট্রিবিউটর ওয়েলয়ের এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক দেব প্রসাদ কাপুরিয়া জানান, “আগে অনার ছিল সীমিত উপস্থিতির ব্র্যান্ড, এখন এটি বাজারের অন্যান্য প্রতিষ্ঠিত ব্র্যান্ডের সঙ্গে সরাসরি প্রতিযোগিতায় নেমেছে। এদের ফোনগুলোর মানও অনেক ভালো।”

তিনি বলেন, স্থানীয়ভাবে অ্যাসেম্বলি ও আক্রমণাত্মক মূল্য নির্ধারণের কারণে ব্র্যান্ডটি দ্রুত বাজার শেয়ার বাড়াতে সক্ষম হয়েছে।

 

বাজার বিশ্লেষণ

বিশিষ্ট প্রযুক্তি বিশ্লেষক টিনেজ লাইফস্কিল একাডেমির ফ্যাসিলিটেশন ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক গোলাম সুমদানি ডন এর মতে, অনারের উত্থানের পেছনে তিনটি মূল কারণ রয়েছে। প্রিমিয়াম ফিচার কম দামে প্রদান, এআই ভিত্তিক ক্যামেরা প্রযুক্তিতে উন্নতি, স্থানীয় বাজারে দ্রুত ডিস্ট্রিবিউশন সম্প্রসারণ।

তিনি বলেন, “বাংলাদেশের স্মার্টফোন বাজার এখন ফিচার-ড্রিভেন নয়, ভ্যালু-ড্রিভেন। অনার এই জায়গায় ভালো অবস্থান নিয়েছে।”

 

সার্ভিস নিটওয়ার্ক: সরেজমিন ক্রেতাদের অভিজ্ঞতা

এই প্রতিবেদনের অংশ হিসেবে ঢাকার বিভিন্ন সার্ভিস সেন্টারে একটি সীমিত “মিস্ট্রি শপিং” পর্যবেক্ষণ করা হয়, যেখানে গ্রাহক সেবা অভিজ্ঞতা মূল্যায়ন করা হয়।

পর্যবেক্ষণে দেখা যায়, সেবা নিতে এসে ভোগান্তির গড় হার তুলনামূলকভাবে কম, সফটওয়্যার সমস্যায় দ্রুত সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে। তবে কিছু ক্ষেত্রে যন্ত্রাংশের জন্য অপেক্ষা করতে হয় ক্রেতাদের।

একজন গ্রাহক রফিকুল ইসলাম বলেন, “আমার ফোনের চার্জিং সমস্যা হয়েছিল। সার্ভিস সেন্টারে দুই দিনের মধ্যে সমাধান পেয়েছি।”

অন্যদিকে মিরপুরস্থ নোভা হোল্ডিংস্ এর ফিনান্স ডিরেক্টর খাদিজা আক্তার জানান, নির্দিষ্ট মডেলের যন্ত্রাংশ কখনো কখনো দেরিতে আসে। অনার এখনও পূর্ণ পরিণত সার্ভিস ইকোসিস্টেম গড়ে তুলতে পারিনি। তাদের বিক্রয় কেন্দ্রেই বিক্রয় পরবর্তি সেবা দেওয়ার পরামর্শ দেন তিনি।

 

তরুণরা কেন অনারের দিকে ঝুঁকছে?

জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের ফরেনসিক সাইকিয়াট্রির প্রাক্তন সহকারী অধ্যাপক ডা: জিল্লুর কামাল জানান, তরুণ ব্যবহারকারীরা প্রযুক্তি, ডিজাইন এবং সোশ্যাল মিডিয়া পারফরম্যান্সকে গুরুত্ব দেয়।

তিনি বলেন, যেসব ফোনে রিল, ভিডিও, ফটোগ্রাফি ও গেম ভালোমত খেলা যায় সেগুলোকে বেশি পছন্দ করে তারা।

তার বিশ্লেষণের মাধ্যমে জানা যায়, এসব জিনিস তরুণদের মনের মাঝে এক ধরণের আগ্রহ তৈরি করে যার ফলে তারা এসব মোবাইলের প্রতি বেশি আকৃষ্ট হয়। এছাড়াও তরুণরা নিজেদের গুছিয়ে রাখতে পছন্দ করে। এ জন্য যেসব মোবাইল স্টাইলিশ সেগুলোকে তাদের পছন্দের প্রথম তালিকায় রাখতে দেখা যায়।

ঢাকা মেডিকেল কলেজের সহযোগী অধ্যাপক ও মানসিক রোগ বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ডা. নূর আহমেদ গিয়াসউদ্দিন জানান, এটি তরুনদের জন্য স্বাভাবিক ব্যপার। একজন তরুণ যেমন মোবাইলের প্রতি আকৃষ্ট ঠিক তেমনি বড়রাও আকৃষ্ট। তরুণদের যথেষ্ট সময় আছে বলে তারা এটিকে বেশি ব্যবহার করতে পারে।

তবে বেশি ব্যবাহরের ফলে স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে পড়তে হতে হয় জানিয়ে তিনি সাবধানতা অবলম্বন করার পরামর্শ দেন তরুণদের।

অনারের প্রডাক্ট বিশেষজ্ঞ উম্মে হাবিবা জানান, অনার এ স্বাস্থ্য ঝুঁকিকে ও আবহাওয়াকে মাথায় রেখেই তাদের মোবাইল ফোনগুলো তৈরি করছে।

তিনি জানান, অনারের প্রতিটি ফোনই বহন ও চোখের যেন ক্ষতি না হয় সেজন্য নানা প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে স্বাস্থ্য ঝুঁকি থেকে বাচিয়ে রাখে। যেন দীর্ঘক্ষণ ব্যবহার করলেও শুধু তরুণ নয় যে কোন বয়সের মানুষের মাঝে কোন ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে না।

তিনি দাবি করেন. তিনটি কারণে অনারের দিকে ঝুঁকছে তারা। উন্নত প্রযুক্তি সম্বলিত ক্যামেরা ও নাইট ফটোগ্রাফি, স্টাইলিশ ডিজাইন ও ডিসপ্লে, গেমিং ও পারফরম্যান্স অপটিমাইজেশন।

ঢাকার এক বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী তানিয় বিনতে হুসাইবা বলেন, “আমি ক্যামেরা ও ব্যাটারির জন্য অনার ব্যবহার করি। দাম অনুযায়ী ফিচার অনেক ভালো।”

এ্যাডহেভিক ডিজিটাল সল্যুশনের একজন ডিজিটাল মার্কেটিং বিশেষজ্ঞ ইমরান হায়দার বলেন, “এআই ব্যবহারকারীরা ব্র্যান্ড লয়্যালটির চেয়ে এক্সপেরিয়েন্সকে বেশি গুরুত্ব দেয়। অনার সেই অভিজ্ঞতা দিতে পারছে।”

অর্থনীতিবিদদের বিশ্লেষণ: বাজারে কী পরিবর্তন আসছে?

অর্থনীতিবিদরা বলছেন, অনারের মতো ব্র্যান্ডগুলোর প্রবেশ বাংলাদেশের স্মার্টফোন বাজারে প্রতিযোগিতা বাড়িয়েছে, যা শেষ পর্যন্ত গ্রাহকের জন্য ইতিবাচক।

বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক অর্থনীতিবিদ প্রফেসর ড. আয়নুল ইসলাম বলেন, “প্রতিযোগিতা যত বাড়বে, দাম তত নিয়ন্ত্রণে থাকবে এবং প্রযুক্তির মান উন্নত হবে।”

তিনি আরও বলেন, স্থানীয় অ্যাসেম্বলি এবং সম্ভাব্য উৎপাদন সম্প্রসারণ বাজারে দীর্ঘমেয়াদে মূল্য স্থিতিশীলতা আনতে পারে।

আয়নুল ইসলাম বলেন, অনার বাংলাদেশে অ্যাসেম্বলি করছে এবং নিজেরাই ফোন তৈরি করে বিদেশে রপ্তানীর স্বপ্ন দেখছে, যা দেশের অর্থনীতির জন্য খুবই ইতিবাচক। আমরা তাদের সাধুবাদ জানাই। তারা কর্মসংস্থান তৈরি করছে, তরুণদের দক্ষতা বাড়াচ্ছে।

 

শিল্প বিশেষজ্ঞ মন্তব্য

ইলেকট্রনিকস রপ্তানিকারক ও ব্যবসায়ী আবদুল মতলুব আহমাদ বলেন, “বাংলাদেশ এখন একটি উদীয়মান মোবাইল বাজার। অনারের মতো ব্র্যান্ড এখানে শক্ত অবস্থান তৈরি করছে কারণ গ্রাহকরা এখন ফিচার-সচেতন।”

তিনি আরও বলেন, “যদি স্থানীয় উৎপাদন ও সার্ভিস নেটওয়ার্ক আরও শক্তিশালী হয়, তাহলে এই ব্র্যান্ডটি শুধু বাজার শেয়ার নয়, দীর্ঘমেয়াদী আস্থা অর্জন করতে পারবে।”

 

উপসংহার: বাজার পরিবর্তনের নতুন পর্যায়

বাংলাদেশের স্মার্টফোন বাজার এখন একটি রূপান্তরের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে, যেখানে দাম নয় ফিচার, প্রযুক্তি এবং ব্যবহারকারীর অভিজ্ঞতা নির্ধারণ করছে ব্র্যান্ডের অবস্থান।

অনারের উত্থান দেখাচ্ছে যে, সঠিক প্রযুক্তি কৌশল, এআই ভিত্তিক মার্কেটিং এবং শক্তিশালী সার্ভিস নেটওয়ার্ক একত্রে কাজ করলে স্বল্প সময়েই বাজারে শক্ত অবস্থান তৈরি করা সম্ভব।

বিশ্লেষকদের মতে, আগামী কয়েক বছরে এই প্রতিযোগিতা আরও তীব্র হবে, এবং বাংলাদেশে স্মার্টফোন বাজার আরও প্রযুক্তিনির্ভর ও গ্রাহককেন্দ্রিক হয়ে উঠবে।

অনার বাংলাদেশ: বাজার সম্প্রসারণ ও গ্রাহক মনস্তত্ত্ব বিশ্লেষণ

মূল বিভাগ (Category) বৈশিষ্ট্য, তথ্য ও প্রধান হাইলাইটস (Key Details & Metrics)
১. বাজার উত্থান ও প্রবৃদ্ধি

১. বিক্রি বৃদ্ধি: গত এক বছরে অনার স্মার্টফোনের বিক্রি দেশের অভ্যন্তরীণ বাজারে কমপক্ষে ৩০% এবং বৈশ্বিক বাজারে ২৮% বৃদ্ধি পেয়েছে।


২. বাজার অবস্থান: মধ্য ও প্রিমিয়াম স্মার্টফোন সেগমেন্টে ব্র্যান্ডটি শক্তিশালী অবস্থান তৈরি করেছে।


৩. সাফল্যের মূল চাবিকাঠি: আক্রমণাত্মক মূল্যনীতি (Aggressive Pricing), উন্নত প্রযুক্তি এবং তরুণদের লক্ষ্য করে তৈরি মার্কেটিং কৌশল।

২. মেড ইন বাংলাদেশ (বিক্রি তথ্য)

১. এক্স৫সি+ (X5c+): সর্বমোট ১,০০,০০০ (এক লাখ) ইউনিট বিক্রি হয়েছে।


২. এক্স৬সি (X6c): ৬০,০০০ (ষাট হাজার) ইউনিট বিক্রি হয়েছে।


৩. এক্স৭বি (X7b): ৪০,০০০ (চল্লিশ হাজার) ইউনিট বিক্রি হয়েছে debris।


৪. এক্স৬ডি (X6d): ৫,০০০ (পাচ হাজার) ইউনিট বিক্রি হয়েছে।

৩. সার্ভিস ও কাস্টমার নেটওয়ার্ক

১. সেবা কেন্দ্রের সংখ্যা: দেশজুড়ে অনারের মোট ২৬টি কাস্টমার সেবা পয়েন্ট রয়েছে।


২. নিজস্ব কেয়ার সেন্টার: ঢাকাতেই রয়েছে ৩টি এক্সক্লুসিভ কাস্টমার কেয়ার। এছাড়া বগুড়া, বরিশাল ও চট্টগ্রামে নিজস্ব কেয়ার সেন্টার রয়েছে।


৩. গ্রাহক অভিজ্ঞতা: মিস্ট্রি শপিং পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে সফটওয়্যার সমস্যায় দ্রুত সেবা মিললেও, কিছু ক্ষেত্রে যন্ত্রাংশের (Spares) জন্য ক্রেতাদের অপেক্ষা করতে হয়।

৪. তরুণদের পছন্দের ৩টি মূল কারণ

১. ক্যামেরা ও ফটোগ্রাফি: উন্নত প্রযুক্তি সম্বলিত ক্যামেরা ও চমৎকার নাইট ফটোগ্রাফি ফিচার।


২. ডিজাইন ও ডিসপ্লে: তরুণদের মনস্তত্ত্বের সাথে মানানসই স্টাইলিশ ডিজাইন এবং আকর্ষণীয় ডিসপ্লে।


৩. গেমিং ও পারফরম্যান্স: গেম খেলা, রিল বা ভিডিও তৈরি করার জন্য অপ্টিমাইজড পারফরম্যান্স।

৫. স্বাস্থ্য ঝুঁকি ও সচেতনতা

১. চোখের সুরক্ষা: দীর্ঘক্ষণ ব্যবহারের ক্লান্তি ও চোখের ক্ষতি এড়াতে অনার তাদের ডিভাইসে বিশেষ প্রযুক্তি ব্যবহার করছে।


২. আবহাওয়া উপযোগী: বাংলাদেশের আবহাওয়া এবং মানুষের ব্যবহারের ধরন মাথায় রেখে ফোনগুলো বহনযোগ্য ও আরামদায়ক (গ্রিপ) করে তৈরি।

৬. অর্থনৈতিক প্রভাব

১. ভ্যালু-ড্রিভেন মার্কেট: বাংলাদেশের বাজার এখন শুধু ফিচার-ড্রিভেন নয়, বরং ক্রেতারা দামের বিপরীতে কার্যকারিতাকে (Value-driven) প্রাধান্য দিচ্ছেন।


২. কর্মসংস্থান ও রপ্তানি: স্থানীয়ভাবে সংযোজন (Assembly) করায় বাজারে মূল্যের স্থিতিশীলতা আসছে, কর্মসংস্থান বাড়ছে এবং ভবিষ্যতে বিদেশে রপ্তানির সম্ভাবনা তৈরি হচ্ছে।